Title: ইভিল রাষ্ট্র পাকিস্তানের আসল রুপটি প্রকাশ পেল

দুমুখো সাপ ইভিল রাষ্ট্র পাকিস্তানের আসল রুপ প্রকাশ পেল।
৩৩ বছরের জেল দিয়ে দিল ডাঃ সাকিল আফ্রিদিকে, অরিজিনাল বন্ধু সন্ত্রাসী আল-কায়দাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে।
লাদেন হত্যা মিশনে গুরতবপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছিল এক পাকিস্তানী ডাক্তার । এবোটাবাদের অপারেশনে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে শাকিল আফ্রিদি নামের ঐ পাকিস্তানের ডাক্তার মার্কিন সিল বাহিনীর রেইড এ দারুন সহায়তা করেছিল । ডাক্তারের গোয়েন্দা তথ্য ছিল মার্কিনিদের জন্য মহামুল্যবান । কেননা পাকিস্তানের অভ্যন্তরে এই ধরনের সরাসরি অভিযানের অনেক ঝুকি ছিল, মার্কিনিদের কাছে বিন লাদেনের অবস্থান ও আইডেনটিটি নিয়ে ১০০ ভাগ নিশ্চিত হওয়া খুবই গুরুত্বপুর্ন ছিল । ডাক্তার আফ্রেদি টীকাদান কর্মসূচীর আওতায় সিআইএরর এসাইনমেন্ট নিয়ে বিন লাদেনের বাড়িতে যান এবং গোপনে বিন লাদেন ডিএনএ সংগ্রহ করেন , যা মার্কিনিরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ঐ বাড়িতে লাদেনের অবস্থান নিশ্চিত করেন ।
বিষয়টি জানাজানি হবার পর পাকি গোয়েন্দারা ঐ ডাক্তারকে পাকিস্তান সরকার নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়, ডাক্তার আফ্রিদির বিষয় নিয়ে মিডিয়ার দৃষ্টি কমে গেলে তাকে পাকিস্তান সরকার মার্কিনিদের নিকট হস্তান্তর করার কথা। কেননা ডাক্তার আফ্রিদি যে কোন সময় তালেবানদের হামলার স্বীকার হতে পারেন।
এবোটাবাদে অভিযান চালানোর কদিন আগে মার্কিন নেভির জাহাজে CIA অফিসিয়ালদের সাথে পাকি সেনা প্রধান ও ISI প্রধান। মার্কিন জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ এডমিরাল রবার্ট মুলেন কে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে।

কিন্তু সম্প্রতি ইভিল রাষ্ট্র পাকিস্তানের আসল রুপ প্রকাশ পাওয়া গেল, ৩৩ বছরের জেল দিয়ে দিল ডাঃ সাকিল আফ্রিদিকে, অরিজিনাল বন্ধু সন্ত্রাসী আল-কায়দাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে।
অতচ পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় লাদেন হত্যার পর পর সন্তোষ প্রকাশ করে এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল,
"লাদেনকে দুনিয়ার যেখানে পাওয়া যাবে, সেখানেই তাঁকে হত্যা করা হবে — যুক্তরাষ্ট্র তাদের পূর্বঘোষিত এই নীতির ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে লাদেনকে হত্যা করেছে। আল-কায়েদা পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। তাদের পরিচালিত সন্ত্রাসী আক্রমণে হাজার হাজার নিরীহ পাকিস্তানি নারী, পুরুষ ও শিশু নিহত হয়।"

দুমুখো সাপ পাকিস্তানই যে বিশ্বসন্ত্রাসের কেন্দ্রবিন্দু তা গতবছর লাদেন হত্যাকান্ডের ভেতর দিয়ে তা প্রমানিত হয়। কারণ এই সন্ত্রাসীর নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছিল পাকিস্তানি গোয়েন্দারা ও সে দেশের সামরিক বিভাগ। সেনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দেয়ালের পাশে DOHS এর মত এলাকায় একটা বিশাল বাড়িতে যেখানে বা তার চারপাশ জুড়ে কেবল সেনাবাহিনীর লোকজনদেরই বসবাস - সেখানে অপরিচিত কারো পক্ষে বছরের পর বছর ধরে এরূপ একটা বাড়ি ভাড়া নিয়ে নিরাপদ বসবাস করা কারো পক্ষেই সম্ভব ছিল না।
1338101004_kayani-mullen-779523.jpg
Comments
Write Comment
Leave your valued comment. Sign Up


TS Management System