Title: সঞ্চয়ই ভবিষ্যতে সম্পদ

ছোট ছোট বালুকণা বিন্দু বিন্দু জল
গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল।

ঠিক তেমনি, আজকের ছোট সঞ্চয় আমাদের ভবিষ্যতের সম্পদ। নিশ্চিন্ত ও নিরাপদ জীবনের জন্য সঞ্চয়ী এবং মিতব্যয়ী হতে হবে আমাদের।

আমরা ছোট ছোট চাওয়াগুলোকে খুব সহজেই পুরন করতে পারি, যদি একটু সচেতন ও সঞ্চয়ী হই। শুধু নিজে সঞ্চয় করলেই চলবে না। পরিবারের সবার মধ্যে এই মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। আমাদের ভাবতে হবে, আসলে কেমন করে সঞ্চয় করতে পারি।

মারিয়া ও মুনের ৪ বছরের ছেলে নির্ঝর। সন্তানকে সঞ্চয়ী করে গড়ে তুলতে প্রতিদিন তারা একটি প্লাস্টিকের ব্যাংকে নির্ঝরের হাত দিয়ে টাকা রাখেন।

শিশুরা কিছু চাইলেই সঙ্গে সঙ্গে কিনে না দিয়ে, ওদেরও সঞ্চয় করতে উদ্বুদ্ধ করুন। সন্তানকে বলুন, পছন্দের খেলনা কেনার জন্য সে একমাসে যে পরিমাণ টাকা জমাতে পারবে, আপনি তার ডাবল টাকা দিয়ে খেলনা কিনে দেবেন।

ভবিষ্যৎ নিরাপদ করার জন্য আমাদের নিয়মিত আয় থেকে নির্দিষ্ট খাত অনুযায়ী সঞ্চয় করতে হবে। যেমন:

ভ্রমণের জন্য:
সবার পক্ষে হয়তো বিশ্বভ্রমণ সম্ভব নয়। তবে দেশের পর্যটন এলাকার বিভিন্ন স্পটে প্রতিবছর বেড়ানার জন্য, প্রতিদিন আমরা যদি মাথাপিছু মাত্র ১০ টাকা জমিয়ে রাখি, দেখবেন বছর শেষে ভালো পরিমাণে টাকা জমে গেছে। এর সঙ্গে অল্প কিছু টাকা যোগ করলেই, সবাই মিলে কয়েকটা দিন অনন্দে কাটিয়ে আসা যাবে।

উৎসব সঞ্চয়:
বছরে বেশ কয়েকটি উৎসব করতে হয় আমাদের। মধ্যবিত্ত পরিবারে এই উৎসব পালন করতে বাড়ির কর্তার ওপর বেশ চাপ পড়ে। এক্ষেত্রেও বাড়ির কর্তীর চাই ছোট্ট সঞ্চয়। সারাবছর উৎসব খাতে কিছু টাকা বরাদ্দ রাখুন, ঈদের জন্য গরু কেনা অথবা প্রিয়জনকে উপহার দিতে চিন্তা করতে হবেনা।

শিক্ষা সঞ্চয়:
দেশে-বিদেশে সন্তানের পড়াশোনায় একটা সময় বড় ধরণের অর্থের প্রয়োজন হতে পারে। শিক্ষা বীমা অথবা এক খন্ড জমি আপনার সন্তানের উচ্চশিক্ষা অর্জন নিশ্চিত করবে।

আপদকালীন:
সব সময় একভাবে যায় না। চলার পথে অসুস্থতা, দুর্ঘটনা হতে পারে, তাই আপদকালীন একটি ফান্ড অবশ্যই রাখতে হবে।

সুন্দর জীবনের জন্য চাই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সঠিক পরিকল্পনা।
Comments
Write Comment
Leave your valued comment. Sign Up


TS Management System